বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি: কেন ভোটাররা ‘এক্সেস’ খোঁজে এবং দালালের হাতে জিম্মি হয়?

0
Screenshot 2026-01-27 at 5.05.57 AM

আমরা এখানে মূলত গ্রামের “Majority” পপুলেশন এর কথা বলছিঃ

বাংলাদেশের মেজরিটি ভোটারের ডিসিশন মেকিং প্যাটার্ন কোনো আইডিওলজি দিয়ে চলে না। It works on a primitive, selfish calculation.

একজন ভোটার কেন ‘X’ ক্যান্ডিডেটকে ভোট দেয়? Because of Perceived Proximity. সে মনে করে, “আমার এমন একজন লোক আছে যার ক্যান্ডিডেটের সাথে ডিরেক্ট কানেকশন বা ‘Access’ আছে।”

কেন এই কানেকশন খোঁজা? এর পেছনে কাজ করে একটা Immoral Desire for Exclusivity. ভোটার চায় তার পার্সোনাল প্রবলেমগুলো একটা Exclusive Channel দিয়ে সলভ হোক। শুধু প্রবলেম সলভ না, এর সাথে একটা Social Dominance-এর বিষয় জড়িত। একদম Lower সোশ্যাল ক্লাসেও মানুষ চায় তার সার্কেলে একটা ‘দাপট’ বা পাওয়ার শো-অফ করতে – “এমপির লোকের সাথে আমার খাতির আছে।” এটা একটা Narcissistic supply হিসেবে কাজ করে।

এখন প্রশ্ন হলো, এই মিডলম্যান বা দালালরা কি শুধুই প্রতারক? Not exactly. এরা হলো Victims of Criminal Deception. বাংলাদেশের পলিটিশিয়ানরা অসম্ভব Manipulative. তারা এই এজেন্টদের Harvest করে। তারা এই দালালদের এমন একটা False sense of importance দেয় যে, এরা নিজেরাও বিশ্বাস করতে শুরু করে তারা ক্যান্ডিডেটের খুব ক্লোজ। এই Delusion থেকেই তারা ভোটারদের কাছে গিয়ে এমন সব প্রমিস করে যা ডেলিভার করা ইম্পসিবল।

ট্রাজেডি হলো এই পুরো সিস্টেমটাই মিথ্যার উপর ভর করে চলে। তার সাথে চাটুকারিতা, টাকার লোভ ইত্যাদি ইত্যাদি তো আছেই।

আমাদের এই Under-educated population মূলত Misinformed. তারা মনে করে কানেকশন ছাড়া কিছুই হবে না। সরকার যে Basic Services এমনিতেই দিতে বাধ্য,(Passport, জমি জমার কেস কাচারি, পাবলিক স্পেসে দোকান, চাকরি) সেটা পাওয়ার জন্যও তারা ‘ফেভার’ বা ‘করুণা’ আশা করে। এটা এক ধরণের Brainwashing. তারা মনে করে কানেকশন থাকা এবং সিস্টেম বাইপাস করে সুবিধা নেওয়াটাই স্মার্টনেস। এটা যে ফান্ডামেন্টালি Immoral, এই বোধটাই তাদের নাই।

ফলাফল? ৩ লক্ষ ৩০ হাজার মানুষের একটা সিটে সবাই মনে করে তারা ‘স্পেশাল’ এবং তাদের একটা ‘সিক্রেট এক্সেস’ আছে। এই যে কয়েক যুগের Deep-rooted Transactional Psyche, এটা আপনি ১ বা ২ মাসে চেঞ্জ করতে পারবেন না। এটা কোনো সাধারণ ইলেকশন ক্যাম্পেইন দিয়ে হবে না। এই মাইন্ডসেট হ্যাক করে ইমপ্যাক্ট ফেলতে হলে মিনিমাম ৬ মাসের একটা এগ্রেসিভ এবং সাইকোলজিক্যাল মার্কেটিং ওয়ারফেয়ার দরকার।

এক লাইনে বললে,
“নিজের ন্যায্য অধিকারকে ‘স্পেশাল ফেভার’ হিসেবে চেয়ে পাওয়া, আর দালালের সাথে খাতির থাকাকে ‘পাওয়ার’ মনে করা – এই মানসিক দাসত্বই আপনাদের চোরদের হাতে জিম্মি করে রেখেছে।”

আসলে আপনার কাজের কাজ কিছুই হবে না। শুধু আশা করে বসে থাকবেন যে আপনি তো চোরের দলের কাছের লোক, তাই আপনার টা বোধ হয় চুরি করবে না।

আমরা চাইলে আরও হাজার টা Angle/Perspective এ ভিডিও, কন্টেন্ট, মার্কেটিং ক্যাম্পেইন চালাতে পারি। Sociological Ideology, Individualism vs. Collectivism vs. Communism এইসব Complex Ideology মানুষকে কমিউনিকেট করা অনেক সময়ের ব্যাপার। আর Realistic না।

কিন্তু মানুষকে ব্যাখ্যা বা Explanation দিয়ে Educate করার চেয়ে অনেক সহজ হলো, Simplified Narrative বা গল্প দিয়ে, অনেক সহজ আর কড়া ভাষায় Hammer করা। মাত্র ১-২ টা ছোট ৩-৪ মিনিটের ভিডিও, যেখানে এই একটা বিষয় অনেক সহজ, কড়া আর স্মার্ট ভাষায় যদি দিনের পর দিন হাতুড়ি দিয়ে পেটানোর মতো মানুষের কান আর মগজে দেয়ার ব্যাবস্থা করা যায় অনেকেই ভোটিং ডিসিশন চেঞ্জ করতে বাধ্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।