আর্টেমিস ২ মিশন : কেন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয় ক্রুদের

0
novopchari-2026

মহাকাশের অনন্ত অসীমে পাড়ি দেওয়ার আগে চার দেওয়ালের গণ্ডিতে আটকে পড়া শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এটাই এখন আর্টেমিস-২ মিশনের বাস্তব চিত্র।

নাসার এই ঐতিহাসিক মিশনের চার নভোচারী এখন এক প্রকার ‘গৃহবন্দি’ জীবন কাটাচ্ছেন। বাইরের আলো-বাতাস তো দূর, প্রিয়জনদের স্পর্শ করাও তাঁদের জন্য এখন কড়াভাবে নিষিদ্ধ।

সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, মহাকাশে যাওয়ার আগে কেন এই কঠোর আইসোলেশন? এর উত্তর লুকিয়ে আছে অতি ক্ষুদ্র এক শত্রুর মধ্যে জীবাণু। সামান্য সর্দি-কাশি বা পেটের পীড়াও ভেস্তে দিতে পারে পঞ্চাশ বছর পর চাঁদের বুকে মানুষের ফেরার এই মহাযজ্ঞ।

নাসার বিজ্ঞানীরা এই মুহূর্তে বিন্দু পরিমাণ ঝুঁকি নিতেও রাজি নন।

টানা দুই সপ্তাহ ধরে চলবে এই কোয়ারেন্টাইন পর্ব, যেখানে চিকিৎসকরা চব্বিশ ঘণ্টা নজরে রাখছেন নভোচারীদের। লক্ষ্য একটাই—পৃথিবীর কোনো ক্ষতিকর অণুজীব যেন মহাকাশযানে চড়ে চাঁদের পাড়ায় পাড়ি জমাতে না পারে।

প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষের যুগেও মানুষকে শেষ পর্যন্ত সেই মৌলিক স্বাস্থ্যবিধির কাছেই মাথা নত করতে হচ্ছে। রকেটের ইঞ্জিনের গর্জনের চেয়েও এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নভোচারীদের শরীরের তাপমাত্রা। শেষ পর্যন্ত এই দুই সপ্তাহের বন্দিজীবনই নির্ধারণ করবে মিশনের চূড়ান্ত সাফল্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *