অনিরুদ্ধ জুলফিকার 
প্রধান প্রতিবেদক
প্রকাশিত:
২২ অগাস্ট, ২০১৯ ০১:৩৪ পিএম
আপডেট:
২৩ অগাস্ট, ২০১৯ ১২:১০ এএম


কলরব দ্বিখন্ডের আসল নায়ক বদরু!


কলরব দ্বিখন্ডের আসল নায়ক বদরু!

বদরুজ্জামান 


বাংলাদেশে ইসলামি সংগীত জগতের তারকাপুরুষ প্রয়াত আইনুদ্দীন আল আজাদ। জীবনের নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে ইসলামি সংগীতকে যখন গণমানুষের কাছে সুপরিচিত করে তুলছিলেন, তখনই তাঁর অকাল প্রয়াণ ঘটে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দের ১৮ জুন মর্মান্তিক এক সড়ক-দুর্ঘটনায় তিনি ইন্তেকাল করেন।

আইনুদ্দীন আল আজাদের স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ছিল কলরব। কলরবের ব্যানারে তিনি তাঁর শিষ্যদেরকে গড়ে তুলছিলেন। তাঁর অধীনে থেকে একঝাঁক শিশু-কিশোর ও তরুণ শিল্পী নিজেদের প্রতিভার চূড়ান্ত বিকাশ ঘটিয়ে আইনুদ্দীনের শিষ্য হিসেবে জনমানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠছিলেন। তাঁদের অন্যতম ছিলেন হুমায়ুন কবীর শাবীব, কাজী আমিন, সাঈদ আহমাদ, আবু সুফিয়ান, বদরুজ্জামান ও আবু রায়হান। আবু রায়হান শিশুশিল্পী হিসেবে ততদিনে স্বর্ণপদক বাগিয়ে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন পুরো দেশে।

আরও পড়ুন >কলরব থেকে শামিমের অব্যাহতি, আবু রায়হানের বিচার করবে কে? (ভিডিও-সহ)

আইনুদ্দীনের ইন্তেকাল-পরবর্তী কলরব

উল্লেখিত এইসব শিল্পী আইনুদ্দীনের ইন্তেকালের আগ অবধি ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁর সাহচর্যে ছিলেন। তাঁদেরকে নিয়ে আইনুদ্দীন আল আজাদ কলরবকে নিজের মতো করে গড়ে তুলতে প্রয়াসী ছিলেন। তবে প্রথম দিকে কলরবের সাংগঠনিক কোনো কাঠামো ছিল না। উল্লেখিত শিল্পীরা কেবল শিল্পী হিসেবেই কাজ করছিলেন কলরবে, আর তাদের তত্ত্বাবধান করছিলেন আইনুদ্দীন। তবে ইন্তেকালের কিছুদিন আগে এর একটা সাংগঠনিক রূপ দাঁড় করিয়ে তাঁর শিষ্য কলরবের সিনিয়র শিল্পীদেরকে বিভিন্ন দায়িত্ব ভাগ করে দেবার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে হুমায়ুন কবীর শাবীবকে নিজের প্রধান সহযোগী হিসেবে মনোনয়নও করেছিলেন। কিন্তু সাংগঠনিক কাঠামো পুরোপুরিভাবে দাঁড় করাবার আগেই মর্মান্তিক ও অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে তাঁর অকাল প্রয়াণ ঘটে।

পরিচালক নিয়োগ

আইনুদ্দীন আল আজাদের ইন্তেকালের পর কলরবের হাল কে ধরবে, এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দেয়। কলরবের সিনিয়র শিল্পী যারা—শাবীব, কাজী আমীন, সাঈদ, আবু সুফিয়ান, বদরুজ্জামান—তাদের মধ্যে একটা মতানৈক্য তৈরি হয় এ ব্যাপারে। বদরুজ্জামান প্রস্তাব করেন, রশিদ আহমদ ফেরদৌসের নাম। তিনি বলেন, যেহেতু ফেরদৌস সাহেবের সঙ্গে আইনুদ্দীন আল আজাদের একটা হৃদ্যতা ছিল, আর তাঁকে কলরবের পরিচালক বানালে আর্থিক সাপোর্ট মিলবে, অতএব তাঁকেই মনোনীত করা দরকার। কিন্তু তিনি অশিল্পী হবার কারণে বদরুজ্জামানের এ প্রস্তাব গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। অবশেষে কলরবের পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন হুমায়ুন কবীর শাবীব। সহকারী পরিচালক হিসেবে থাকেন যথাক্রমে কাজী আমিন, সাঈদ আহমদ, আবু সুফিয়ান ও বদরুজ্জামান। আর কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পান আবু রায়হানের ভাই আবু বকর।

মনোমালিন্যের সূচনা ও নেপথ্যের কারিগর

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কলরবের সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি টাইম টিউনকে জানান, আইনুদ্দীন আল আজাদের ইন্তেকালের পর কলরবের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ নিজের আওতায় রাখার জন্য বদরুজ্জামান জোর তৎপরতা চালান। শাবীবকে পরিচালক নিযুক্ত করলে নিয়ন্ত্রণ তাঁর হাতের বাইরে চলে যাবার আশঙ্কায়ই তিনি রশিদ আহমদ ফেরদৌসের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু প্রথম বারের মতো তিনি ব্যর্থ হন।

আরও পড়ুন >আবু রায়হানের অবৈধ ফোনসেক্সের অডিও কি ফেইক?

আইনুদ্দীনের ইন্তেকালের আগে কলরবের বেশ কিছু সংগীত তিনি আবু বকর ও বদরুজ্জামানের মাধ্যমে বি টু এম নামের একটি প্রতিষ্ঠানকে ওয়েলকাম টিউন হিসেবে দিয়েছিলেন। তাঁর ইন্তেকালের পর ওই ওয়েলকাম টিউন বাবদ বেশ কিছু টাকা মাসে মাসে আসতে থাকে। কিন্তু টাকাগুলো কলরবকে না দিয়ে বদরুজ্জামান ব্যক্তিগতভাবে খরচ করতে থাকেন। এর কোনো হিসাবও তিনি সাংগঠনিকভাবে দেন না। পরিচালক হিসেবে শাবীব তাঁর কাছে জবাবদিহিতা চাইলে এর সুষ্ঠু কোনো উত্তর তিনি দেননি, বরং ব্যাপারটি বরাবরই এড়িয়ে যান। এই থেকে শুরু হয় মনোমালিন্য। বদরুজ্জামান শুরু করেন শাবীবের বিরুদ্ধে গ্রুপিং। তিনি কলরবের সকল সহকারী পরিচালকসহ অন্যান্য প্রায় সব শিল্পীকে কৌশলে নিজের আয়ত্বে নিয়ে আসেন। সেটা কোনো ক্ষেত্রে কথা দিয়ে আবার কোনো ক্ষেত্রে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে। তাঁদের অনেকেই এখন এসে বদরুজ্জামানের এই চতুরতার কথা স্বীকার করেছেন টাইম টিউনের কাছে। এবং এটাকে নিজেদের ভুল হিসেবেই দেখছেন। 

হুমায়ুন কবীর শাবীবের অব্যাহতি

বদরুজ্জামান কর্তৃক ওয়েলকাম টিউনের টাকা আত্মসাতের ব্যাপারটা মেনে নিতে না পারায় শাবীবকে কৌশলে একঘরে করে ফেলেন বদরুজ্জামান। সিনিয়র শিল্পীরা তো বটেই, জুনিয়র শিল্পীরা পর্যন্ত বদরুজ্জামানের কুমন্ত্রণায় শাবীবকে নানাভাবে হেনস্থা করতে শুরু করেন।

এদিকে আইনুদ্দীনের ইন্তেকালের পরে তাঁর স্ত্রী ও দুই সন্তান অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েন। হুমায়ুন কবীর শাবীব নিজের গুরুর দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে আইনুদ্দীনের স্ত্রীকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন এবং অনানুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের কাজ সম্পন্নও করে ফেলেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক কলরবের সাবেক ও বর্তমান একাধিক ঘনিষ্ঠজন টাইম টিউনকে জানান, আইনুদ্দীনের স্ত্রীকে শাবীব বিয়ে করার পর বদরুজ্জামান শঙ্কিত হয়ে পড়েন কলরবের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে। তিনি মনে করেন, কলরবের ভবিষ্যৎ এখন শাবীবের হাতে চলে যাবে। তাঁর কোনো কর্তৃত্বই থাকবে না এককালে। তাই তিনি কলকাঠি নেড়ে এবং নানা কূটচাল চেলে শাবীব ও আইনুদ্দীনের স্ত্রীর বৈবাহিক সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকতায় রূপ দিতে দেননি। ফলে পরবর্তী অল্প কিছুদিনের ভেতর বিয়েটি নানা প্রকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন >অবৈধ যৌনমিলনে কলরবের শিল্পী শামিম

একদিকে কলরবে একঘরে করে ফেলা, অপরদিকে তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ—এসব নানাবিধ কারণ থেকে অনেকটা অভিমান আর অনেকটা মনোকষ্ট নিয়ে হুমায়ুন কবীর শাবীব ২০১২ সালে কলরব থেকে অব্যাহতি নেন এবং নিজের মতো করে স্বপ্নসিঁড়ি নামে নতুন একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। আইনুদ্দীন আল আজাদের স্ত্রীরও নতুন করে আবার বিয়ে হয়ে যায় অন্যত্র।

পরিচালক রশিদ আহমদ ফেরদৌস

শাবীব চলে যাবার পর বদরুজ্জামানের পছন্দ ও প্রস্তাবমতো রশিদ আহমদ ফেরদৌসকে পরিচালক নিয়োগ করা হয়। কলরবের সাবেক কয়েকজন শিল্পী জানান, মিস্টার ফেরদৌস আইনুদ্দীনের ঘনিষ্ঠজন ছিলেন এবং তিনি বড় পর্যায়ের ব্যবসায়ী হবার সুবাদে কলরবের অর্থনৈতিক একটা সাপোর্ট পাওয়া যাবে—বদরুজ্জানের যুক্তিগুলো যথার্থ ছিল, কিন্তু তাঁর উদ্দেশ্যে গলদ ছিল। মিস্টার ফেরদৌসকে শো হিসেবে রেখে কলরবকে নিজের কুক্ষিগত করে রাখাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্যে তিনি পর্যায়ক্রমে সফলও হয়েছেন।

এদিকে রশিদ আহমদ ফেরদৌসের বিরুদ্ধে অর্থ কেলেংকারির অভিযোগও আছে। এমএলএমের মতো একটা কোম্পানি করে সেখানে বেশ কিছু মানুষের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন বলে অনেকের অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। 

কাজী আমীনকে বহিস্কার

২০১৪ সালে ওয়েলকাম টিউনের টাকা নিয়ে আবারও গণ্ডগোল বাঁধে। কাজী আমিন চেয়েছিলেন ওয়েলকাম টিউনের জন্য নতুন করে চুক্তিতে যেতে। কিন্তু এতে বদরুজ্জামানের স্বার্থে আঘাত লাগার দরুণ তিনি তাঁর পুরনো চাল চালেন। কাজী আমীনের বিরুদ্ধে টাকার প্রলোভন ও কৌশলে কলরবের প্রায় সব শিল্পীকে লাগিয়ে দেন। হেনস্থার শিকার হন কাজী আমিন। তিনি জানান, এসবের সমাধানের জন্য একাধিকবার মিস্টার ফেরদৌসের বাসা পর্যন্ত গেলেও কোনো সুষ্ঠু সমাধান পাইনি।

একপর্যায়ে বদরুজ্জামানের ইন্ধনে কাজী আমিনকে বহিস্কার করা হয় কলরব থেকে।

আরও পড়ুন >আইনুদ্দীনের বাবা হাসপাতালে : খোঁজ নেয়নি কলরবের কেউ!​​​​​​​

আবু সুফিয়ানের আলাদা কলরব

২০১৬ সালে আবারও বদরুজ্জামানের অর্থনৈতিক অস্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে কলরবে। আবু সুফিয়ান এ বিষয়ে জোর কথা বলেন। ইউটিউব ও ওয়েলকাম টিউন থেকে প্রাপ্ত টাকার কোনো হিসেব নেই, কত আসে, কত ব্যয় হয়—কোনো কাঠামোই দেখান না বদরুজ্জামান। আবু সুফিয়ান এসব নিয়ে কথা বললে বদরুজ্জামান নিজের পুরনো চাল চেলে শিল্পীসহ কলরবের উপদেষ্টা পরিষদকেও হাত করে নেন। এবং সাংগঠনিক রীতি ভেঙে তিনি ফেসবুকে ঘোষণা দেন যে, আবু সুফিয়ান কলরব থেকে বহিস্কার। আবু সুফিয়ানও এর পাল্টা জবাবে বদরুজ্জামানসহ তাঁর সমর্থক সকলকে কলরব থেকে বহিস্কারের ঘোষণা দিয়ে আলাদা একটা অফিস নিয়ে নিজের মতো করে কলরবের কার্যক্রম শুরু করেন। তারপর থেকে কলরব এখন দুই ভাগে বিভক্ত।

ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে কলরবের কী সম্পর্ক

আইনুদ্দীনের ইন্তেকালের পর কলরবের যেকোনো বিষয়-আশয় নিয়ে চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলনের কাছে যাওয়া হয়। অন্যভাবে বললে ইসলামী আন্দোলনের নির্দিষ্ট কয়েকজন নেতা কলরব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে ও দিতে সিদ্ধহস্ততার প্রমাণ দেন। কলরবের কেউ যদি চরমোনাই পীরের দলকে সমর্থন না করেন, বা তাদের ভাবাদর্শ লালন না করেন, তবে তারা কলরবের মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতেও পিছপা হন না। প্রশ্ন জাগে, কলরব একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। এর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের সম্পর্ক কী? টাইম টিউনের অনুসন্ধানে জানা যায়, আইনুদ্দীন আল আজাদ একসময় ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। সেই সুবাদে চরমোনাই পীরের ভক্ত-মুরিদান ও তাঁর রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কলরবের একটি যোগাযোগ ও হৃদ্যতা তৈরি হয়। কিন্তু আইনুদ্দীনের ইন্তেকালের কিছুদিন আগে, ২০১০ সালের ৬ জুন তাঁকে ইসলামী আন্দোলনের কিছু নেতার কারসাজিতে দল থেকে বহিস্কার করা হয়। এবং তারপর থেকেই তারা কলরবকে বন্ধ করে দেওয়ার জন্য নানা ধরনের প্রচেষ্টা চালান। ইতিমধ্যে আইনুদ্দীনের ইন্তেকাল হলে, সেই তাদেরকেই আবার কলরবের অভিভাবক ও সিদ্ধান্তদাতার আসনে সমাসীন করা হয়। এবং কলরবের সিনিয়র শিল্পীদের প্রায় প্রত্যেকেই ইসলামী আন্দোলনের শেল্টার নিয়ে নানা ধরনের সুবিধা আদায় করেন।

নেপথ্য নায়ক বদরুজ্জামান 

ঠাণ্ডা মাথার ক্রীড়নক হিসেবে পরিচিত মহলের অনেকের কাছে পরিচিত বদরুজ্জামান। বদরুজ্জামানের গ্রামের বাড়ি নরসিংদী। বাবা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। বর্তমানে একটা গার্মেন্টসের ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু বদরুজ্জামান নিজস্ব অর্থায়নে রাজধানীতে ৬৫ লক্ষ টাকা দামের বিলাস বহুল ফ্ল্যাট কিনেছেন এই ক'বছরে। রাজকীয় চলাফেরা ও বিলাসবহুল জীবনযাপন তো আর আছেই। অথচ কলরব ও কলরব সংশ্লিষ্ট বিষয় ছাড়া অন্য কোনো পেশার সঙ্গেও খুব একটা সম্পৃক্ত নন তিনি। সচেতন মহলের প্রশ্ন, মাত্র সাত-আট বছরের ব্যবধানে একজন গার্মেন্ট-ম্যানেজারের ছেলে হয়ে বদরুজ্জামান ব্যক্তিগতভাবে এতটাকার কোথা থেকে পেলেন?

আরও পড়ুন >আইনুদ্দিনের বাবা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন দেখার মত কলরবের কেউ নেই -তারা নেশায় ব্যস্ত!​​​​​​​

কলরব সংশ্লিষ্টদের ব্যাপারে নারী কেলেংকারির অভিযোগ কমন একটা বিষয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে বিবাহিত বদরুজ্জামানেরও বিয়ের আগে ও পরের অনেক কেলেংকারি আছে নারী ঘটিত। কিন্তু সংশ্লিষ্টরা নিজেদের নিরাপত্তা ও ইজ্জতের ভয়ে এ ব্যাপারে কথা বলতে চাচ্ছেন না বিধায় এই পর্বে তাঁর নারীঘটিত বিষয় বিস্তারিতভাবে আনা সম্ভব হচ্ছে না। তবে টাইম টিউনের অনুসন্ধান এ ব্যাপারে অব্যাহত আছে। ইতিমধ্যে একটি মেয়ের সঙ্গে তাঁর অবৈধ সম্পর্ক ও ফোনালাপের রেকর্ড টাইম টিউনের হস্তগত হয়েছে। বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এসব বিষয়ে দেখা হবে আগামী পর্বে।


আপনার মতামত লিখুন :
বিশেষ প্রতিবেদন এর আরও খবর

আরো পড়ুন
ফ্রান্সে বাংলাদেশী শরণার্থী ফাহিম বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী রহিমা!!

ফ্রান্সে বাংলাদেশী শরণার্থী ফাহিম বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী রহিমা!!

২০০৮ সালে বাংলাদেশ থেকে ফাহিম মুহাম্মদ সে তার বাবা-মার সাথে…

মৌলভীবাজার উলামা পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ

মৌলভীবাজার উলামা পরিষদের প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

কাশ্মীরে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে মৌলভীবাজার উলামা পরিষদের উদ্যোগে মৌলভীবাজার শহরে…

বাহুবল উপজেলা চেয়াম্যানের প্রচেষ্টায় আঞ্চলিক রাস্তার ভাড়া নিয়ে বিরোধ নিস্পত্তি

বাহুবল উপজেলা চেয়াম্যানের প্রচেষ্টায় আঞ্চলিক রাস্তার ভাড়া নিয়ে বিরোধ নিস্পত্তি

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার বাহুবল-অলুয়া আঞ্চলিক রাস্তার ভাড়া বিরোধ কে…

ছাতকের হায়দরপুর কিশোরের হাতে যুবক খুন, আটক ২

ছাতকের হায়দরপুর কিশোরের হাতে যুবক খুন, আটক ২

সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা ভাতগাওঁ ইউনিয়নের হায়দরপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে…

শাহ আব্দুল করিমের গান বিকৃত করে গাইলেও কষ্ট হতো না বাউল সম্রাটের!!

শাহ আব্দুল করিমের গান বিকৃত করে গাইলেও কষ্ট হতো না বাউল সম্রাটের!!

প্রখ্যাত শিল্পী কালিকাপ্রসাদ ভট্টাচার্য একবার বাউল শাহ আবদুল করিমকে জিজ্ঞাসা…

কাজের লোককে প্রহার : ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড

কাজের লোককে প্রহার : ফ্রান্সে সৌদি রাজকন্যার কারাদণ্ড

সৌদি আরবের বর্তমান যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমানের এক সৎবোনকে কারাদণ্ড…

দিরাই বসন বিপনী দোকানে চুরির ঘটনার মালামাল উদ্ধার,গডফাদার গ্রেফতার

দিরাই বসন বিপনী দোকানে চুরির ঘটনার মালামাল উদ্ধার,গডফাদার গ্রেফতার

গত ০৯ আগস্ট  দিবাগত রাতে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই বাজারস্থ বসন…

ময়মনসিংহে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

ময়মনসিংহে হাত-পা বেঁধে গৃহবধূকে গণধর্ষণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় এক গৃহবধূকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় উঠিয়ে দেওয়ার কথা…