নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত:
২২ মে, ২০১৯ ০৭:০৯ এএম


মদিনা মার্কেটের কেয়ারটেকার আলীর কাছে মার্কেট ব্যবসায়ীরা জিম্মি


মদিনা মার্কেটের কেয়ারটেকার আলীর কাছে মার্কেট ব্যবসায়ীরা জিম্মি

কেয়ারটেকার আলী আহমদ


সিলেট জেলার জালালাবাদ থানা দিন টুকুর বাজার ইউনিয়নের কুমারগাঁও এলাকার মৃত,ময়না মিয়ার ছেলে আলী আহমদ ৬০ পেশায় একজন কেয়ারটেকার।

সিলেটের কতোয়ালী থানা দিন মদিনা মার্কেট মালিক ম্যানশন - সুপরিচিত নাম ভাঙ্গা মার্কেট ও জমিদারের বাসার কেয়ারটেকার আলী আহমদ। জমিদার আব্দুল মালিক সপরিবারে লন্ডন প্রবাসী,তিনি দীর্ঘদিন থেকে লন্ডন বসবাস করছেন বলে জানা গেছে। বছর দুয়েক পরে মার্কেট ও বাসর এবং জায়গার হালত অবস্থার খবর নিতে মাঝেমধ্যে একা দেশে ফিরেন। দেশ সম্পর্কে বেশ একটা ধারণা ও নেই জমিদারের।কেয়ারটেকার আলী যেভাবে পরিচালনা করেন এভাবেই তিনি চলাফেরা করেন। জমিদার নিজেও এক ধরনের জিম্মি ছিলেন আলীর কাছে কারণ দেশে আসার পর আত্মীয়স্বজন কেউ না থাকার কারণে আলীকে নিয়ে চলাফেরা করতে হত এক সময় ।

মদিনা মার্কেটের আল মদিনা আবাসিক রাস্তার মুখ থেকে শুরু করে  আব্দুল খালেক মার্কেট পর্যন্ত আব্দুল মালিক পরিবারের পুরো মার্কেট আর এই মার্কেটে কেয়ারটেকার হিসেবে প্রথম দায়িত্ব পালন করেন কেয়ারটেকার আলীর বাবা ময়না মিয়া। আলীর  বাবা মৃত্যুর পূর্বে জমিদার আব্দুল মালিককে একদিন বলেন ভাইজান আমার বয়স প্রায় শেষের দিকে আমি কখন জানি মারা যাই ,তা ঠিক নেই কিন্তু আমার একটা আবদার ছিল, কি - আমার বড় ছেলে সৌদি দিছিলো এখন চলে আসছে  একজনের বাড়িতে গরু রাখতে দিয়েছি ছেলেটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে আর দুই নম্বর কথা হচ্ছে পরিবারের অভাব অনটন সব সময় লেগেই আছে, যদি আপনার মর্জি হয় আপনার বাসার সহযোগিতার জন্য আমার ছেলে আলীকে আপনি আনতেন আর আমার বড় ইচ্ছা আপনার কাছে রেখে যেতে চাই ,কেয়ারটেকার আলীর বাবার এ কথা কে মূল্যায়ন করতে জমিদার আব্দুল মালেক বলেন ঠিক আছে আপনি একবার নিয়ে আসবেন কেয়ারটেকার আলী কে তার বাবা পরদিন নিয়ে আসেন জমিদারের বাসায় এর পরদিন থেকে আলীর টুকটাক কাজ করা শুরু ও জমিদারের একটি দোকান ছিল সিলেটের বাণিজ্যিক এলাকা কালীঘাট। দোকানে ভাত নিয়ে যাওয়া আসার জন্য কেয়ারটেকার আলীর যাত্রা শুরু হয়। জমিদার আব্দুল মালিক দীর্ঘদিন দোকানদারি করার পর হঠাৎ সপরিবারে লন্ডন চলে যান এরপর থেকে কেয়ারটেকার আলীকে দেওয়া হয় মার্কেট ও বাসার কেয়ারটেকারের দায়িত্ব ।

এই দায়িত্ব কে পুঁজি করে সুদে টাকা লাগানো সহ নিজের বাড়ি ও জমি কে পাহাড় করে তুলেন এই কেয়ারটেকার আলী। অনেকে আবার দ্বিতীয় জমিদারও  বলেন, আলী অল্পদিনেই আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। মার্কেটের বিভিন্ন স্থানে মালিকের অজান্তে কিছু দোকানদার বসিয়ে আত্মসাৎ শুরু হয়,শুধু তাই নয় জমিদারের বিল্ডিং এর কাজ করাতে গিয়ে যে স্থানে সিমেন্ট লাগার কথা ৫০ ব্যাগ সে জায়গায় মেমোতে ধরানো আছে ১০০ ব্যাগ, রড লাগার কথা ৫০০ টন মেমোতে উল্লেখ আছে ১০০০ হাজার টন,বিল্ডিং এর বিভিন্ন স্থানে গ্রিল লাগানোর বাস্তব রেট আছে ৫০ থেকে ১০০ ঢাকা স্কয়ার ফিট মেমোতে উল্লেখ আছে ১০০ থেকে ৩০০ টাকা এভাবেই হাতিয়ে নিচ্ছেন জমিদারের টাকা আর এই টাকায় পাহাড় বাড়াচ্ছেন আলী। জমিদার আব্দুল মালেক সাহেব আগে বুঝতে পারেন নাই তো এবার আর রেহাই নেই ,জমিদার এবার বুঝে গেছেন। ২০১৮ সালে জমিদার আব্দুল মালিক তার কাছে হিসাব চাইলে পূর্ণ হিসাব বুঝিয়ে দিতে না পারায় । জমিদার আব্দুল মালিক বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি করে দেখা যায় কেয়ারটেকার আলী বিভিন্ন স্থান থেকে আত্মসাৎ করেছেন কল্পনার বাহিরে।জমিদার তাকে বিদায় করতে পারছেন না অনেক কিছুর কাজ তার কাছে গোছানো ছিল হুট করে বিদায় দিলে জমিদারের বেশ ক্ষতি হতে পারে এজন্য তাকে সাইট পাটে রেখে নতুন আরেকজন নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে ।গত কিছুদিন আগে জমিদার দেশে আসছেন শুনে আমাদের প্রতিনিধি মাসুদ রানা এ ব্যাপারে জমিদারের সাথে.কথা বললে তিনি পুরো বিষয়টাকে সত্য বলেন এবং তিনি আরো বলেন মাঝখানে আলীকে এরকম দুর্নীতির কারণে বিদায় দিয়েছিলাম তার স্থানে আরেক জনকে নিয়োগ দিয়েছি কিন্তু তার চেয়েও আরো ভয়ানক ছিল পরে আবার তাকে নিয়ে আসছি কারণ আমার এসব দেখার মত কেউ নেই এবং কিছু শর্ত দিয়েছিলাম এসব শর্ত কে মানে বর্তমান যুগে। তিনি বলেন নাই মারছে কানা মামা ভালো তবে এবার আলীর দায়িত্ব আগের মত নেই।

বাংলার কসাইদেরও নীতি আছে গরু বলে মানুষকে কুকুর মাংস দেবেনা মহিষের মাংস দেবে,গাভীর মাংস দিলেও সে বলদের মাংস বলবে এটা কসাইদের নীতি কিন্তু কেয়ারটেকার আলীর মধ্যে কোন নীতি নেই। আলীর সাথে মার্কেটের ব্যবসায়ীদের একটু এদিক সেদিক হলেই দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেন।মালিক ম্যানশনের সামনে প্রায় সময় দেখা যায় সরকারী রাস্তার উপর জনসাধারণের চলাচলের ব্যাঘাত ঘটিয়ে কিছু সবজি দোকান ও মাছের দোকান বসানো আছে কেয়ারটেকার কে জিজ্ঞেস করলে সে গরিবদের উপকার করছে বলে মানুষকে আখ্যায়িত করেন,এরকম উপকার কারি কয়জন আছেন বাংলাদেশে? কিন্তু দিন শেষে রাত্রি যখন একটু ঘন হয়ে আসে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৮০ থেকে ২০০ লটাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছে এই কসাই নামের আলী। অসুস্থ বা কোন কারনে টাকা দিতে একদিন বিলম্ব হলে পরদিন স্থান অন্য কাউকে দিয়ে দেয় এই উপকার কারী কসাই। এই মার্কেটে কয়েকটি দোকান আছে যা মালিক এর অন্তর্ভুক্ত ছাড়া তিনটি কাপড়ের দোকান,একটি চায়ের দোকান প্রত্যেক দোকান থেকে তোলা হচ্ছে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা জমিদারের কাছে জমা দেওয়া হচ্ছে ৫০ টাকা। প্রতিদিন সর্বমোট কেয়ারটেকারের পকেটের টাকা ঢুকেছে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা ,বছর ঘুরে হিসাব করলে দেখা যায় প্রায় দেড় থেকে দুই লক্ষ টাকা ফুটপাত থেকে আত্মসাৎ। এই মার্কেটের এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তিনি বলেন মহা সড়কের উপর সবজি ভ্যান গাড়ি বসিয়ে প্রতিদিন তোলা হচ্ছে ২০০ টাকা করে। এসব টাকা তোলার দৃশ্য ভিডিও ফুটেজ ও তাদের কাছে আছে। প্রতিদিন এসব.ফুটপাতের টাকা তুলতে আলী না হয় উনার দ্বিতীয় ছেলে মামুন আসে ।

মালিক ম্যানশনের যে সকল ব্যবসায়ীরা আছেন কেয়ারটেকার আলী যদি কারো দোকানে বসেন তাকে চা,পান, সিগারেট, ও মাঝেমধ্যে কিছু ঘুষ ইত্যাদি না দিলে দোকানদার এর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে থাকেন সর্বদা তিনি এক পর্যায়ে মালিকের অজান্তে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেন না কই মালিকের দোকানের ভাড়া বাড়িয়ে দেওয়া হয় এই কেয়ারটেকার  আলী।

এ মার্কেটের উল্লেখযোগ্য বেশ পুরনো একটি প্রতিষ্ঠান ছিল পপুলার পেইন্ট এ দোকানের ভাড়া ছিল ৫০০০ টাকা সিকিউরিটি হিসেবে ছিল দুই লক্ষ টাকা। প্রতিষ্ঠানর মালিক বদরুল বিন আফরোজ আলীর অপকর্মের কথা জমিদারের সাথে লন্ডন ফোনে আলাপ করায় এরপর থেকে প্রতিষ্ঠানের পিছনে উঠে পড়ে লেগে যায়  কেয়ারটেকার আলী এক পর্যায়ে পপুলার পেইন্ট পরিবর্তন করেন,অনেক টাকা পয়সা খরচ করে বেশ সুন্দর করেন দোকান। এই মার্কেটের নজরকাড়া একটি দোকান করেন বদরুল, করা হয় পেটবুক স্নেক বার, স্নেক বারের ব্যবসা ও দোকানের সৌন্দর্য তা দেখে লোভ লেগে যায় আলীর এক পর্যায়ে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেন তিনি বদরুল দোকান না ছাড়লে পড়ে হুট করে দোকানের বাড়াবাড়িয়ে নিয়ে আসে ১২০০০ হাজার টাকা । কিছুদিন পর দেশের জমিদার  আসেন দোকান ভাড়া ও সিকিউরিটির ব্যাপারে আলোচনা করলেই বিভিন্ন তাল বাহানা দেখিয়ে দোকানের ভাড়া ফিক্সড করে ফেলে ১২০০০ হাজার টাকা। সিকিউরিটি এর ব্যাপারে আলোচনায় আসলে দেখা যায় জমিদারের খাতায় দেড় লক্ষ টাকা উঠানো আছে ৫০ হাজার টাকা গায়েব হয়ে গেছে । আলী যখন সিকিউরিটি নিয়েছিল তখন বলেছিল জমিদার দেশে আসলে তোমাকে রিসিট দেবে এভাবেই গড়িমসি করে দীর্ঘ ৮ বছর পেরিয়ে যায় রিসিট না থাকায় আলীর পকেট এ চলে যায় ৫০ হাজার টাকা । বদরুল টাইম টিউন কে আরো বলেন আলীর এমন আচরণ মদিনা মার্কেটের ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আমির হোসেন সহ আরো দুই এক সদস্যকে কে বলেছেন তবে সভাপতির কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো সলিউশন পাননি । তবে সভাপতি বলেছিলেন এ মার্কেটে তোমার বিষয় নিয়ে আলীর সাথে কথা বলতে গেলে তোমাকে দোকান থেকে বের করে দিতে পারে তবে তুমি তাকে ম্যানেজ করে চলো।

এই মার্কেটের আরেক প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী বাঙালি মুহিন নামে সবার কাছে পরিচিত এ ব্যবসায়ীকে কম টাকায় ভাল জায়গা কিনে দেওয়ার প্রলোভন বিয়ে ভুয়া কাগজের একটি জায়গা কিনে দেন এই  কেয়ারটেকার ,ক্রয়ের সময় জায়গার মালিক ও কাগজ পত্র সব ঠিক আছে শুধু অন্ধ বিশ্বাস, কেয়ারটেকার এই আলীকে বিক্রয়ের পর দেখা যায় এই জায়গার মালিক অন্য একজন, এই জায়গাতে খোকনও মহিন যেতেও পারে নি।মুহিন আলীকে কিছু বললে কেয়ারটেকার উত্তর দেন কাগজ ভাল করে দেখেন নাই কেন এ নিয়ে মুহীনের করা একটি মামলাও আছে আদালতে,একদিন   মুহিব এর কাছ থেকে নগদ এক লক্ষ টাকা ধার নেন এই কেয়ারটেকার মুহিন টাকা ফেরত চাইলে কেয়ারটেকার আলী টাকা নেননি বলে অস্বীকার করেন ।ডকুমেন্ট ছাড়া এরকম কাজ আলী প্রায়ই করে থাকেন ব্যবসায়ীদের সাথে ।

গত দুমাস আগে আল্লাহর দান বিরানী হাউজ একটি প্রতিষ্ঠান এই  মার্কেটে আছে তার কাছে আলী কিছু টাকা চাইলে প্রতিষ্ঠানের মালিক না দিলে দোকান ছাড়ার নির্দেশ দেন। সে তার চুক্তি অনুযায়ী বের না হলে তার খাতায় এক বছরের মাথায় আর দুই হাজার টাকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়। দোকানের ভাড়া বাড়ানোর ব্যাপার নিয়ে আলীর সাথে কিছু কথা কাটাকাটি হয় ,ঘটনার মোড় অন্যদিকে ঘুরছিল পরে এক পর্যায়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

আলীর এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে মালিক ম্যানশনের ব্যবসায়ীরা কিছু বলতে চাইলেও পারছেন না,কারণ পরদিন দোকান ছাড়ার নির্দেশ না হয় দোকানের ভাড়া ডাবল করে দিবে।এভাবেই প্রত্যেক ব্যবসায়ীরা জিম্মি হয়ে আছে অর্থলোভী কেয়ারটেকার আলীর কাছে।

এ বিষয়ে কেয়ারটেকার আলীর সাথে টাইম টিউনের প্রতিনিধি মাসুদ রানা মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে আলী পুরো বিষয়টি অস্বীকার করেন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে ফোনের এক পর্যায়ে লাইন কেটে দেন বার বার চেষ্টা করার পর ফোন রিসিভ করছেন না কেয়ারটেকার আলী।

এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রতিনিধি সভাপতির এক আত্মীয় সাংবাদিকতা গোপন রেখে মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির টানা কয়েকবারে নবনির্বাচিত সভাপতির আমির হোসেনের সাথে ঘরোয়া আলোচনা করলে তিনি ঠিক আছে বলে মনে করেন তিনি আরো বলেন জমিদারের পরিবারের পাশাপাশি তিনটি মার্কেটের কেয়ারটেকার অথবা জমিদারের দ্বারা কোন ব্যবসায়ী নির্যাতিত হলে আমরা ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে কোন ধরনের সহযোগিতা করতে পারি না ব্যবসায়ীদেরকে।

কেয়ারটেকার আলীর এ বিষয়ে স্পষ্ট হওয়ার জন্য মদিনা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির টানা দ্বিতীয়বারের নবনির্বাচিত রজয়েন্ট সেক্রেটারি বিন আমিনের সাথে টাইম টিউনের প্রতিনিধি মাসুদ রানা মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন মালিক ম্যানশন ও এই মার্কেট দোকানদারদের সম্পর্কে কোন ধারণাই নেই । সমিতির অন্য সদস্যের সাথে যোগাযোগ করলে এ বিষয়ে মুখ খুলতে রাজি না কমিটির অনেকেই।


আপনার মতামত লিখুন :
আরো পড়ুন
বদলে যাচ্ছে কওমি মাদরাসার পাঠ্যপুস্তকের মান ও ধরণ
হস্তলিপি থেকে কম্পিউটার কম্পোজ

বদলে যাচ্ছে কওমি মাদরাসার পাঠ্যপুস্তকের মান ও ধরণ

কওমি মাদরাসার সিলেবাসভুক্ত আরবি-উর্দু-ফারসি কিতাবগুলো অদ্ভুত এক ফন্টে লেখা। ডিজিটাল…

বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত ক্যান্সার-চিকিৎসা-সেবা
ব্যয় ও দুর্ভোগে দিশেহারা ভুক্তভোগীরা

বহুমুখী সমস্যায় জর্জরিত ক্যান্সার-চিকিৎসা-সেবা

ক্যান্সার রোগটা কেবল মরণব্যাধিই না, একই সঙ্গে পুরো একটা পরিবারকে…

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

আজ শনিবার সকালে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার চরহোগলা গ্রামে ফখরুল হাওলাদার…

শিশু হাফেজ ছাত্রদের নিয়ে কি ব্যবসা চলছে?

শিশু হাফেজ ছাত্রদের নিয়ে কি ব্যবসা চলছে?

বিভিন্ন আরব ও মুসলিম রাষ্ট্রে অনেকগুলো দেশের অংশগ্রহণে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত…

বাহুবলে দ্বিগাম্বর ছড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন,আদালতে মামলা

বাহুবলে দ্বিগাম্বর ছড়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন,আদালতে মামলা

হবিগঞ্জের বাহুবলে দিগাম্বর ছড়ায় অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে প্রতিনিয়ত…

নবীগঞ্জে মানসিক প্রতিবন্ধী ছাকিব নিখোঁজ

নবীগঞ্জে মানসিক প্রতিবন্ধী ছাকিব নিখোঁজ

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার ১৩নং পানিউমদা ইউনিয়নের বড়চর গ্রামের মোঃ…

মালয়েশিয়ার অবৈদের ধরার জন্য, কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন

মালয়েশিয়ার অবৈদের ধরার জন্য, কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সে দেশে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে একটি…

পাঠাও বাইক সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমার যা বললেন

পাঠাও বাইক সার্ভিস সম্পর্কে কাস্টমার যা বললেন

‘উবার' বা ‘পাঠাও'-এর মতো রাইড শেয়ারিং সম্পর্কে অনেক পাঠক তাদের…